এমবিবিএস ভর্তি বিজ্ঞপ্তি 2025

বাংলাদেশে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হাজারো শিক্ষার্থী প্রতিবছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ২০২৫ সালের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য তাদের প্রস্তুতি আরও গভীরভাবে পরিকল্পনা করবে। এই ব্লগপোস্টে, আমরা ২০২৫ সালের এমবিবিএস ভর্তি বিজ্ঞপ্তির মূল দিকগুলো আলোচনা করব, যা শিক্ষার্থীদের সঠিক প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করবে।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি 2025
১. আবেদন শুরুর এবং শেষ তারিখ
২০২৫ সালের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার আবেদন জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ সাধারণত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকে। নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
২. আবেদন পদ্ধতি
আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্ধারিত আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। আবেদন করার সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন হবে:
- এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার সনদ ও নম্বরপত্র।
- সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
- আবেদন ফি জমার রসিদ।
৩. আবেদন ফি এবং জমা পদ্ধতি
আবেদন ফি ২০২৫ সালে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা হতে পারে, যা মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে।
ভর্তি পরীক্ষার বিশদ বিবরণ
১. পরীক্ষার তারিখ
২০২৫ সালের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা মার্চ মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। সঠিক তারিখ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকবে।
২. পরীক্ষার কাঠামো
পরীক্ষাটি ১০০ নম্বরের এবং সময়কাল ১ ঘণ্টা। বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন:
- জীববিজ্ঞান: ৩০ নম্বর
- রসায়ন: ২৫ নম্বর
- পদার্থবিদ্যা: ২০ নম্বর
- ইংরেজি: ১৫ নম্বর
- সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক): ১০ নম্বর
৩. নম্বর কাটা পদ্ধতি
ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। তাই শিক্ষার্থীদের খুবই সাবধানতার সাথে উত্তর দিতে হবে।
যোগ্যতার শর্তাবলি
১. শিক্ষাগত যোগ্যতা
- শিক্ষার্থীদের এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হবে।
- পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, এবং জীববিজ্ঞানে ভালো ফলাফল থাকা আবশ্যক।
- এসএসসি এবং এইচএসসি মিলিয়ে ন্যূনতম ৯.০০ জিপিএ প্রয়োজন। তবে এইচএসসিতে জীববিজ্ঞানে কমপক্ষে ৩.৫০ জিপিএ থাকা বাধ্যতামূলক।
২. বয়সসীমা
বয়সের নির্দিষ্ট শর্ত নেই, তবে আবেদনকারীদের সর্বশেষ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।
কোটা এবং আসন সংখ্যা
১. কোটা ব্যবস্থা
মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ অন্যান্য বিশেষ কোটার জন্য আসন বরাদ্দ থাকে। এই কোটার জন্য নির্ধারিত প্রমাণপত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
২. আসন সংখ্যা
২০২৫ সালে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ১২,০০০। এর মধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ৪,০০০।
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপস
১. পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক প্রস্তুতি
উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যবই (NCTB) থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, এবং পদার্থবিদ্যা ভালোভাবে পড়ুন।
২. মডেল টেস্ট দিন
বিভিন্ন মডেল টেস্ট এবং অনুশীলনমূলক প্রশ্নপত্র সমাধানের মাধ্যমে নিজেকে যাচাই করুন।
৩. সময় ব্যবস্থাপনা শিখুন
পরীক্ষার সময় সীমিত, তাই দ্রুত এবং সঠিকভাবে উত্তর দেওয়ার দক্ষতা অর্জন করুন।
৪. নোট তৈরি করুন
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংক্ষিপ্ত নোট আকারে লিখে রাখুন।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ
- আবেদন শুরু: জানুয়ারি ২০২৫
- আবেদন শেষ: ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ভর্তি পরীক্ষা: মার্চ ২০২৫
- ফলাফল প্রকাশ: এপ্রিল ২০২৫